গাছের ডালগুলো কেটে দাও, কেটে দেওয়া দরকার
ডালের হাত ধরে বেয়ে-বেয়ে নেমে আসে আঁধার
আমি ছিলাম তন্দ্রাচ্ছন্ন, পাখিরাও উড়ে গেলো
যেমন করে শিশুর পাল সন্ধ্যা হলে ঘরে ফেরে, অতঃপর
জোনাকিরা নৃত্য করে দিন ও রাতের ছায়াপথে, আলো-আঁধারের ছায়ারেখায়;
ডালের হাত ধরে বেয়ে-বেয়ে নেমে আসে আঁধার
আমি ছিলাম তন্দ্রাচ্ছন্ন, পাখিরাও উড়ে গেলো
যেমন করে শিশুর পাল সন্ধ্যা হলে ঘরে ফেরে, অতঃপর
জোনাকিরা নৃত্য করে দিন ও রাতের ছায়াপথে, আলো-আঁধারের ছায়ারেখায়;
গাছটির ডাল বেয়ে জানালার গ্রিল ধরে
আমার ঘরে প্রবেশ করে দু’টি আদিম মানব
চেয়ে দেখি ঈশ্বর -পুত্রদ্বয় ঠিক আমার মতো কালো
তবুও চোখে জ্বলছে আদিম গুহার আলো
ঠিক যেনো আদম-হাওয়ার গৃহের মতোন;
আমার ঘরে প্রবেশ করে দু’টি আদিম মানব
চেয়ে দেখি ঈশ্বর -পুত্রদ্বয় ঠিক আমার মতো কালো
তবুও চোখে জ্বলছে আদিম গুহার আলো
ঠিক যেনো আদম-হাওয়ার গৃহের মতোন;
জানালার গ্রিলে হাত রাখতেই ধরে ফেলি
ঈশ্বর-পুত্রের তুলতুলে নরোম হাত, স্পর্শ করি আঙ্গুলের ডগা
অনায়াসেই নেমে আসে বিকেলের সূর্য আমার ঘরে ঈশ্বর-পুত্রের মতো,
তথাপি আমি তাকে চুম্বন করি মাঝরাতের চাঁদ যেমন চুম্বন করে
গভীর নির্জনে আমার ঘরের অভিমানী ঝুলানো কার্নিশ;
ঈশ্বর-পুত্রের তুলতুলে নরোম হাত, স্পর্শ করি আঙ্গুলের ডগা
অনায়াসেই নেমে আসে বিকেলের সূর্য আমার ঘরে ঈশ্বর-পুত্রের মতো,
তথাপি আমি তাকে চুম্বন করি মাঝরাতের চাঁদ যেমন চুম্বন করে
গভীর নির্জনে আমার ঘরের অভিমানী ঝুলানো কার্নিশ;
তারপর আদম-হাওয়া মুহূর্তে উড়ে গেলো অজানায় আদিম-প্রহরে
নিমেষেই বন্ধ হয়ে এলো আমার অতৃপ্ত-তৃষ্ণার্ত-জ্বলন্ত চোখের পাতা,
মানুষেরা বসে আছে সবাই যার-যার নিজম্ব ভুল আঙ্গিনায়
লাল-নীল-সবুজ-হলুদ পাখিরা উড়ে বেড়ায় অন্ধকার আদিগন্ত-আকাশ-সীমান্ত…
আমি এখনো বসে আছি পৃথিবীর হেলানো পাটাতনে ঈশ্বর-পুত্রের প্রতীক্ষায়।
নিমেষেই বন্ধ হয়ে এলো আমার অতৃপ্ত-তৃষ্ণার্ত-জ্বলন্ত চোখের পাতা,
মানুষেরা বসে আছে সবাই যার-যার নিজম্ব ভুল আঙ্গিনায়
লাল-নীল-সবুজ-হলুদ পাখিরা উড়ে বেড়ায় অন্ধকার আদিগন্ত-আকাশ-সীমান্ত…
আমি এখনো বসে আছি পৃথিবীর হেলানো পাটাতনে ঈশ্বর-পুত্রের প্রতীক্ষায়।
Comments
Post a Comment