সন্ধে ৭টার বুকে হাত রাখলেই আমি অসভ্য। অথচ, দুপুর দুটোয় মগবাজার ওভারব্রিজ পা ফাঁক ক’রে নামাজে বসেছে। আর এই দৃশ্যের ওপর, রূপবতী বিধবা একটি কাক হিসহিস করে খসিয়ে দিলে জল শহরে প্লাবন হলো। সেই প্লাবন-মহিমায় ভেসে গেলো ভ্রুণ-হত্যার মতো বিশুদ্ধ পাপ ও পঙ্কিলতা। এখন, নারীর মনের ভেতর যে যৌন-খোলস আমাকে ধারণ করতে চায় আমি তাকে ল্যাওড়া দেখিয়ে অবজ্ঞা করি আর ভাবি এবার পুরুষকে জড়িয়ে আমি একটানা তিনদিন ঘুমোবো এবং পুরুষের সাথেই সঙ্গমে জন্ম দিবো এক অদ্ভূত শিশু। সেই শিশু না নারী, না পুরুষ, না হিজড়া, সেই শিশু কেবলই শিশু আর ধর্মীয় গল্পের ঈশ্বরের মতো পরাক্রমশালী। সে পুরুষকে চাপকাবে, নারীকে চাপকাবে, হিজড়াকে চাপকাবে। আর সে নিজেই নিজের সাথে যৌন সঙ্গমে জন্ম দেবে ভোর ও লালিমা। ‘শুয়োরের বাচ্চা’ ব’লে শিশুটিকে গাল দেবে কেরানি আর অধ্যাপক। তখন সিভিল সোসাইটির মা-কে চুদে শিশুটিও মুতবে ব’লে প্রকাশ্য রাস্তায় মেশিনম্যানের মতো দাঁড়িয়ে যাবে আর ঘেন্না করবে জীর্ণ-চেতনার যোনি ও যৌনতা অর্থাৎ এইসব মানব-সমাজ, যেইখানে কেরানি আর অধ্যাপক গৃহের গুহার ভেতর স্ব স্ব বউ চুদে চুদে বাচ্চা বানায় আর সেই বাচ্চাকে সন্তান অ্যাখ্যা দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠায় এবং তাদেরই মতো কেরানি আর অধ্যাপক বানায়।
Comments
Post a Comment