আরো একবার যদি প্রবল বর্ষায় ভেসে যায় দ্বীপ
আরো একবার যদি প্রচণ্ড বিদ্যুৎএ কেঁপে ওঠে বুক
তোমার মধ্যসত্তরের বায়োস্কোপ পিছিয়ে গেছে পাঁচটি দশক
বলিরেখা মুছে গেছে , চুলের রঙ অভুক্তনিগ্রো
সটান শরীরে সভ্যদেশে লিখছ- “ছোটলোকের কবিতা”
মনোহর আইচ চেহারায় শুভাকে নিচ্ছ তোমার হাংরি বুকে
শুভা তীব্রতম হচ্ছে , ঐ -তো শুভাকে নিয়ে লড়াই করছে
ক’টি কালো পোশাকের আইন
কালো পোশাক ঠিক করে দিচ্ছেন , কবি অশ্লীল , কবি ইতর
কখন , কীভাবে অজান্তে যদি শুভা হয়ে উঠি এই একুশ শতকে
ছিনিয়ে নিই শুভার রাজমুকুট ? যদি বলিঃ-
কবি , নারীর গ্রীবার ওপরে মাথা , মাথায় দু’টো চোখ
কঙ্কালযোনি একটা কবিতায় এগিয়ে যেতে পারে
আত্মাপুড়িয়ে ‘যোনিকেশরে’ মন্থিত হতে পারে অমৃতযোগ
কবি, পাঁচ দশক আগে আমি জান্মালে ? পাঁচদশক আগে
আমাকে পুড়িয়ে দিতে – দিতে একবার ও ভাবতে না
নারী দুষ্প্রাপ্য সোনালীসেডনা ?
নদীর বুক ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে , ক্রমশ নৌকা ছোট
পূর্নাঙ্গ জীবন মিলিয়ে যেতে যেতে সূর্য দেখছে সামনে অন্ধকার
পথ অন্ধকার , অন্ধকারে একটা হাতই যথেষ্ট , কবি
একটা হাতই যথেষ্ট, হাত ধরে অন্ধকারে মিলিয়ে যাওয়ার আগে
Comments
Post a Comment