মাকে দাহ করে ফিরলাম ।
অদ্ভুত !আত্মাহীন মুখে কোন বিষাদের চিহ্ন থাকেনা
অথচ খাঁ খাঁ বিছানা-বালিশে কষ্টের গন্ধ এখনো প্রকট।
আমাদের দুইবোনের যুবতী দুপুর ঝুঁকে আছে মাতৃসভ্যতার দিকে
মায়ের বুকের অমৃতকলসী মুখে অবাঞ্ছিত কীটের নষ্ট খিদের মাতন।
ফোনের কন্টাক্ট লিস্টে সংরক্ষিত নম্বরে উজ্জ্বল এখনো “মা”
বিগত দিনের মতো ডায়াল করলেই ওপ্রান্ত থেকে যেন বলে উঠবেন তিনি-
“খেয়েছিস মা রে!”
আসলে ঘি-কাঠের আগুনসোহাগে মুছে যায় কি মাতৃতান্ত্রিক সময়?
অথচ, মানুষের এমনই নিয়ম বেশীদিন শোক বইতে পারেনা স্মৃতি।
বহমানতায় ফিকে হয়ে আসবে হয়ত অস্থি ভাসানোকাল
দেওয়ালে টাঙানো আলতা ছাপের সাথে ফোন লিস্টে “মা” শব্দ
ধূসর হয়ে মিলিয়ে যাবে হাওয়ায়।
একদিন মা তত্ত্ব শরীরে নিয়ে আমাদের সমস্ত মনযোগ ঝুঁকে থাকবে
নিজস্ব মাতৃত্বের দিকে!
Comments
Post a Comment